২০০+ শিক্ষার্থীকে নিয়ে “Python Programming for Beginners” শিরোনামে ১২টি ক্লাসের একটি ফ্রি কোর্স পরিচালনা করেছি, যেখানে প্রোগ্রামিংয়ের মৌলিক ধারণা থেকে শুরু করে বাস্তব উদাহরণে কোড শেখানো হয়েছে।











আমি আবদুল্লাহ ইবনে হানিফ আরিয়ান, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের মাস্টার্সের নিয়মিত শিক্ষার্থী, ২০১৯-২০ সেশন। আমি ফজলুল হক মুসলিম হলের একজন আবাসিক শিক্ষার্থী।
আপনাদের সবার ভালোবাসা, সহযোগিতা ও প্রেরণায় আমি আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ( ব্যালট নং ১ ) পদে
প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
ইশতেহারে আপনার মতামত যুক্ত হবে। আপনার কথা আমার নিকট অতীব মূল্যবান।
সর্বোচ্চ সিজিপিএ (৩.৯০/৪.০০) অর্জনকারী, NLP নিয়ে গবেষণা ও একাধিক কনফারেন্সে গবেষণাপত্র জমা।
DU.AI কমিউনিটি ও স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্মের প্রতিষ্ঠাতা, ২০০০+ শিক্ষার্থীর সাথে কাজ।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী, হল আন্দোলন ও কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে “কেন্দ্রীয় সাইবার নিরাপত্তা সেল” “Central Cyber Support Cell” গঠন। প্রতিটি নারী হলে এর শাখা থাকবে, প্রভোস্ট ও হাউজ টিউটরের তত্ত্বাবধানে এই সেল হলগুলোতে কাজ করবে। হলের শিক্ষার্থীরাই (নির্বাচিত প্রতিনিধি) এ সেলগুলোতে কাজ করবে। বাংলাদেশ পুলিশের সাইবার টিমের সাথে সমন্বয় করে তারা সর্বনিম্ন সময়ে যেকোনো ধরনের সাইবার বুলিং, এটাক, হ্যারাসমেন্ট প্রতিরোধ ও প্রতিকার করবে। এর জন্য একটি অনলাইন ইন্টারফেইস গঠন করা হবে। শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সহায়তা, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স বেইজড চ্যাটবট ও বিশেষজ্ঞের সহায়তা পাওয়া যাবে ইন্টারফেইস থেকে।

“Paperless Decentralization of Registrar Building” প্রতিটি ডিপার্টমেন্ট, হলে দাপ্তরিক কার্যক্রম স্থানান্তর করতে হবে, সবকিছুতে রেজিস্ট্রার বিল্ডিং এ আসার বিষয়টা ভাঙতে হবে, ডিপার্টমেন্ট, হলে আবেদন করেই সব সেবা পাওয়া যাবে। যেহেতু রেজিস্ট্রার বিল্ডিং এ শিক্ষার্থীঃ কর্মকর্তার রেশিও খুবই কম, সাপোর্ট বা অন্যান্য কম জটিল কাজের জন্য “আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স নির্ভর চ্যাটবট” “Artificial Intelligence Based Chatbot” (Like ChatGPT) আমরা বানাব। বাসের শিডিউল থেকে শুরু করে সব আপডেটেড নোটিশ জানবে এই চ্যাটবট। এতে শিক্ষার্থীদের হয়রানি কমে যাবে, কর্মকর্তা কর্মচারীরা বেশি জটিল সমস্যাগুলো সমাধানে সময় দিতে পারবে, সমাধানের সময় কমবে। সর্বোপরি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনেট প্রেজেন্সের আমূল আধুনিকায়ন আনা হবে, বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে মডেল ধরে এই পরিবর্তনের অগ্রাধিকার পাবে শিক্ষার্থীদের চাওয়া পাওয়া!

“Infrastructure Improvement” প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উন্নয়ন এ প্রতিটি বিভাগ ও হলে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন। ল্যাবগুলো নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও আপডেট করা। প্রতিটি শিক্ষার্থী যাতে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ সুবিধা ব্যবহার করতে পারে, সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা । ডিজিটাল Fab-Lab, Data Analytics Cluster এবং BioMed-Nano Lab-এর মতো উন্নত ল্যাব স্থাপন। কম্পিউটার/টেকনিকাল এক্সেসরিস এর লোন সহজলভ্য ও ভর্তুকি দেয়ার জন্য আর্থিক ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি সাক্ষর! “One Student One Laptop” আমাদের লক্ষ্য।

“Portal for Better Graduate” ক্যাম্পাসে অবস্থানরত ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন পার্টটাইম চাকরির জন্য "ঢাবি জব পোর্টাল” “DU Job Portal” তৈরি করা যেখানে বর্তমান ও সাবেক ছাত্রছাত্রীরা লগইন করে নিজের প্রোফাইল বানিয়ে জব মার্কেট এর জন্য নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবে। যারা বিভিন্ন ধরনের কাজ দেয়ার জন্য লোক খুঁজছে তাদের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে এই পোর্টাল। দেশ বিদেশের বিভিন্ন এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম, রিসার্চ ও অন্যান্য গ্র্যান্ট, স্কলারশিপসহ অন্যান্য অপরচুনিটি ছাত্রছাত্রীদের কাছে পৌঁছে দিতে “DU Opportunity Portal” তৈরি।

“Curriculum Modernization For Every Department” “প্রতিটি ডিপার্টমেন্ট কারিকুলাম আধুনিকায়ন” এর অংশ হিসেবে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নির্দিষ্ট সময় অন্তর কারিকুলাম রিভিউ বাধ্যতামূলক করা হবে। পাশাপাশি, আধুনিক বিষয় যেমন AI, IoT, Data Science, Cyber Security এবং Bioinformatics প্রতিটি বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা সমসাময়িক চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে দক্ষতা অর্জন করতে পারে। প্রতিটি ডিপার্টমেন্ট এ বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের সমন্বয়ে কমিটি তৈরি করে, যুগোপযোগী দক্ষ গ্রাজুয়েট বানাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ব্যক্তিউদ্যোগে এক দুইটা ওয়ার্কশপ বা ট্রেনিং আমার লক্ষ্য নয়, প্রাতিষ্ঠানিক সাপোর্ট এ চলবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক ট্রেনিং!

"Smart Campus” (স্মার্ট ক্যাম্পাস) উদ্যোগের মাধ্যমে পুরো ক্যাম্পাসকে Unique ID ভিত্তিক Authenticated Wi-Fi Network-এর আওতায় আনা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত Charging Port সরবরাহ করা হবে, বিশেষ করে Library-তে। প্রতিটি ID Card-এ থাকা NFC Chip ব্যবহার করে প্রবেশপথে Access Control Device ইনস্টল করার মাধ্যমে বৈধ শিক্ষার্থী ছাড়া Academic Building, Hall, Library, Playground-এ প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে, ফলে বহিরাগতদের প্রবেশ অনেকাংশে কমে যাবে এবং নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

“Science & Technology Empowerment” শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আয়োজন করা হবে ৩–৬ মাসের প্রশিক্ষণ (Training), ১–৩ দিনব্যাপী আবাসিক ও অনাবাসিক কর্মশালা (Workshop), দেশসেরা বক্তাদের নিয়ে সেমিনার (Seminar), বিজ্ঞান-প্রযুক্তি মেলা (Science Fair) এবং গবেষণার বুলেটিন ও জার্নাল প্রকাশনা (Bulletin & Journal Publication)। এসব কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সহায়তা করবে এবং কর্মবাজারে প্রতিযোগিতামূলক দক্ষতা গড়ে তুলবে।
বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কর্মসূচিতে সরাসরি অংশগ্রহণ এবং নেতৃত্ব।
৬০০+ শিক্ষার্থী নিয়ে আয়োজিত হয়েছে তিন দিনব্যাপী “হাতে-কলমে মাইক্রোসফট অফিস” ট্রেনিং, যেখানে Word, Excel, PowerPoint-সহ প্রয়োজনীয় অফিস সফটওয়্যারে হাতে-কলমে শেখানো হয়েছে।


২০০+ শিক্ষার্থীকে নিয়ে “Python Programming for Beginners” শিরোনামে ১২টি ক্লাসের একটি ফ্রি কোর্স পরিচালনা করেছি, যেখানে প্রোগ্রামিংয়ের মৌলিক ধারণা থেকে শুরু করে বাস্তব উদাহরণে কোড শেখানো হয়েছে।





৫০+ শিক্ষার্থী নিয়ে আয়োজন করি “Mastering Google Search for Academic Success” শিরোনামের একটি প্র্যাকটিকাল ওয়ার্কশপ, যাতে গবেষণার জন্য তথ্য খোঁজা, Google Scholar ব্যবহারের কৌশল, এবং একাডেমিক সফলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ টুলস শেখানো হয়।

৫০+ শিক্ষার্থীকে নিয়ে “Introduction to Prompt Engineering for LLM” সেশন নিয়েছি।


২০০+ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে নিয়মিত “Tech Talk” সেশন পরিচালনা করেছি, যেখানে আলোচ্য বিষয় ছিল: আধুনিক প্রযুক্তি ও AI, ক্যারিয়ার গাইডলাইন, সিভি, রেজুমে, ও লিংকডইন প্রোফাইল উন্নয়ন।
২ ধাপে ২০০+ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে পিসি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ করা হয়।




আমি DU.AI ফেসবুক কমিউনিটি গড়ে তুলেছি, যার মাধ্যমে ঢাবির শিক্ষার্থীদের মধ্যে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে আগ্রহ জাগিয়ে তোলার পাশাপাশি গাইডলাইন, মডেল রিসোর্স, হ্যাকাথন প্রস্তুতি ও প্রশ্নোত্তর সেশন পরিচালনা করেছি। ১০০+ শিক্ষার্থীকে নিয়ে শিক্ষক ও প্রফেশনালদের তত্ত্বাবধানে অনলাইন ক্লাস ও প্রশ্নোত্তর সেশন পরিচালনা করেছি।
Dhaka University Skill Development Platform নামক একটি নিজস্ব উদ্যোগ থেকে ঢাবিয়ানদের জন্য বিভিন্ন অনলাইন রিসোর্স, লার্নিং ম্যাটেরিয়াল, ও কোর্স রিকমেন্ডেশন সরবরাহ করে আসছি।
আপনার প্রতিনিধি, আপনার কণ্ঠস্বর | ডাকসু ২০২৫
ন্যায়ের পক্ষে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে - একজন ছাত্রনেতার সংগ্রামী জীবন।
২০২৪ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ফজলুল হক মুসলিম হল থেকে নিয়মিত সকল আন্দোলনে অংশ নিয়েছি, রাজপথে স্লোগানমাস্টার হিসেবে পরিচিত ছিলাম এবং কেন্দ্রীয় সমন্বয়কদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করেছি।


শহীদুল্লাহ হল ও ফজলুল হক হল মুক্ত করতে সাধারণ ছাত্রদের সাথে সক্রিয় ছিলাম, ১৭ জুলাই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত হল থেকে বের হইনি।

নিজ ডিপার্টমেন্ট এর শিক্ষার্থীদের একত্রিত করে ব্যানার নিয়ে ১৬ জুলাই মোকাররম ভবনে আমি একমাত্র ভাষণ ও স্লোগান দিই এবং খুনি সরকারের পদত্যাগ দাবি করি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্র হিসেবে ক্যাম্পাস জীবনের শুরু থেকে সব ধরণের যৌক্তিক আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে রাজপথে ছিলাম । করোনার সময় হল খোলার আন্দোলন, বহিরাগতমুক্ত ক্যাম্পাসের আন্দোলনে সামনের সারিতে ছিলাম।

হল বন্ধের পর সাইনবোর্ড, নারায়ণগঞ্জ এ কয়েকদিন এরপর নিজ জেলায় নোয়াখালী মাইজদীতে গিয়েও ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিয়েছি।

স্বাস্থ্য বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য হিসেবে স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারে গুরুত্বপূর্ন মতামত রেখেছি।


বর্তমান সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঙ্জ আহত শহীদদের তালিকা করার ওয়েবসাইট প্লানিং ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় আমি আমার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিইয়ে কাজ করেছি।


৫ আগস্ট পরবর্তী সংকটকালে টিএসসি ভিত্তিক ত্রাণের মেডিকেল টিমে নেতৃত্ব দিয়েছি, বন্যা পিড়িত এলাকায় সহায়তা পৌঁছে দিয়েছি।


বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিচার আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছি এবং কারাবন্দী নির্দোষদের মুক্তির পক্ষে কাজ করেছি।

ডাকসু আদায়ে স্মারকলিপি প্রদান, মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচিতে সামনের সারিতে নেতৃত্ব দিয়েছি।

সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে বারবার রাজপথে দাঁড়িয়েছি, ভারতের আগ্রাসী মনোভাবের বিরুদ্ধে নিজ জায়গা থেকে প্রতিবাদ করেছি।

ফিলিস্তিনের পক্ষে সব আন্দোলনে নৈতিক সমর্থন দিয়ে আসছি, বিভিন্ন ভাষণও দিয়েছি, সিনেটে দাড়িয়ে ভারত-ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের সামনে কথা বলেছি।


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহতদের নিয়ে প্রথম প্রোগ্রাম Heros of DU পরিকল্পনা, বাস্তবায়নে সামনে থেকে কাজ করেছি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পুরোপুরি অথেনটিকেশন বেইজড ওয়াই-ফাই সুবিধা আনতে কাজ করেছি, যদিও এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।

সমসাময়িক রাজনীতিতে একজন কট্টর সমালোচক, বিশ্লেষক হিসেবে আছি বহুদিন যাবত, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে যুক্ত হবার সুযোগ থাকা স্বত্বেও নিজেকে এখনো অফিসিয়ালি কোন দল এর সাথে জড়াইনি। নির্দলীয় নিরপেক্ষ ছোট ভাই, বড় ভাই, ব্যাচমেট হিসেবে নিজেকে সবসময় সবার কাছে নিয়ে গেছি, সবার থেকে অনেক বেশি পরিমাণ ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছি।
প্রযুক্তি, শিক্ষা, গবেষণা ও আন্দোলনের অভিজ্ঞতা থেকে আমি সেই দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতি নিয়েছি।
বাংলাদেশের পরিবর্তনের জন্য আমাদেরই এগিয়ে আসতে হবে। শুধু নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যস্ত থাকলে, জাতির অগ্রগতি থেমে যাবে।
আমাদের মাঠে নামতে হবে, নেতৃত্ব দিতে হবে, পাশে দাঁড়াতে হবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের।
গত চার-পাঁচ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার অভিজ্ঞতায়, আমি নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছি— কাজ, নেতৃত্ব ও সংগ্রামের মাধ্যমে।
আপনাদের বিশ্বাস আর ভালোবাসা থাকলে, যদি আপনারা আমাকে যোগ্য মনে করেন— আমি কথা দিচ্ছি, সুযোগ পেলে আরও ভালো কিছু করে দেখাব।
আসুন, আমরা সবাই মিলে গড়ে তুলি আমাদের কাঙ্ক্ষিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
ভোট দিন একজন প্রগতিশীল, প্রযুক্তি-নির্ভর, সংগ্রামী ছাত্রনেতাকে।
আপনার সমর্থনই আমার শক্তি। সবার দোয়া ও সমর্থন প্রার্থনা করছি।
নেতৃত্ব ও সেবার মাধ্যমে - একজন সংগঠকের কর্মময় জীবন।
বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইটি সোসাইটির নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।




নোয়াখালী ছাত্রকল্যাণ পরিষদে বর্তমানে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কাজ করছি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আহত শহীদদের জন্য গঠিত 'স্বাস্থ্য বিষয়ক কেন্দ্রীয় কমিটি' এর ১ নম্বর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি।



Dhaka University Student Association of Chatkhil এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক (২০২৩-২০২৪) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি।




IEEE Computer Society Student Chapter, DU এর সাবেক নির্বাচিত সভাপতি (২০২৪-২০২৫) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি।


ঐতিহ্যবাহী ঈশা খাঁ বাস রুটের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক (২০২৩-২৪) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি।
Animal Welfare Club of Curzon Hall (এখন নাম পরিবর্তন হয়েছে) সদস্য হিসেবে ছিলাম ২০২০-২০২১ সালে, ফাকা ক্যাম্পাসে প্রাণীগুলোর খাবারের ব্যবস্থা করেছি, দিয়েছি খাবার। এখনো ক্যাম্পাসের কুকুর বিড়ালের জন্য যেভাবে সহায়তা করা যায় করছি।
শিক্ষাজীবন ও পেশাগত অভিজ্ঞতার গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষেপ।
কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের ২৬তম ব্যাচ থেকে ব্যাচেলরে সর্বোচ্চ সিজিপিএ (৩.৯০/৪.০০) অর্জন।


ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP) নিয়ে ব্যাচেলর থিসিস করেছি এবং এ নিয়ে বিভিন্ন কনফারেন্সে একাধিক গবেষণাপত্র জমা দিয়েছি। PressWiz, CognifyQ, BanglaOCR এর মতো প্রোডাক্টে কাজ করার বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে।

চ্যাম্পিয়ন – আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় NLP আইডিয়া প্রতিযোগিতা, ভাষাবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ২০২৪




প্রথম রানার আপ – ভাষামূল: আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় NLP প্রতিযোগিতা, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ২০২৪।


দ্বিতীয় রানার আপ – DL এনিগমা ১.০: আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ডিপ লার্নিং প্রতিযোগিতা, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ২০২৪।


জাতীয় হ্যাকাথন (ফাইনাল রাউন্ড), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।


ফাইনালিস্ট – কোড সামুরাই ২০২২ জাতীয় হ্যাকাথন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।



Junior AI Researcher হিসেবে 2D-3D রেন্ডারিং ও নিউরাল রিকনস্ট্রাকশন নিয়ে রিয়েল-ওয়ার্ল্ড কম্পিউটার ভিশন সমস্যার সমাধানে কাজ করছি (The KOW Company, ২০২৫)।
Cognitive Agents and Interaction Lab-এ গবেষণা সহকারী হিসেবে কাজ করে বাংলা ভাষার জন্য ৫০ মিলিয়নের বেশি বাক্য বিশিষ্ট ডেটাসেট সংগ্রহ ও একাধিক NLP মডেল বানিয়েছি।
বাংলা হস্তলিখিত চিত্র স্বীকৃতি (Handwritten Bangla OCR) নিয়ে গবেষণা এবং ডিপ লার্নিং ভিত্তিক প্রোটোটাইপ তৈরি করেছি।
UK-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান D-Ready তে AI Engineer (Freelance Intern) হিসেবে মাছের পোনা উৎপাদনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগে কাজ করেছি।
মাঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের মাস্টার্স ভর্তি প্রোগ্রামের সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সল্যুশন ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট টিমের সদস্য ছিলাম।
Custom Linux Kernel ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পে ইন্টার্নশিপ করেছি (Metroscientific, ২০২২)।
আপনার মূল্যবান মতামত জানান অথবা যুক্ত হয়ে একসাথে কাজ করতে
ইশতেহারে আপনার মতামত যুক্ত হবে। আপনার কথা আমার নিকট অতীব মূল্যবান।
